জামালপুর

জামালপুরে বালু মহালে ইজারার টাকা নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ

স্থানীয়রা জানায়, ইজারার নামে বালু মহালগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বহ্মপুত্রের পাড়ে ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি চলছে। সরকার আসে সরকার যায়, চাঁদাবাজি চলে আগের মতই। শুধু হাত বদল হয় চাঁদাবাজের। প্রতিমাসে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা। বছরে কয়েক কোটি টাকা চাঁদা আদায় উত্তোলন করা হয়। ইজারার নামে হয় শুভংকরের ফাঁকি। কখনো হাইকোর্টে বালু মহালের লাইসেন্সের নামে রিট, আবার কখনো এক লাইসেন্সে সবকটি ঘাট আর এখন মেয়াদ উত্তীর্ণ লাইসেন্সে বালু উত্তলন হচ্ছে।ইজারার কথা প্রচার করলেও বালু উত্তোলনে ও ইজারার নামে তোলা চাঁদার পুরোটাই বালুদস্যু সিন্ডিকেটের পকেটে উঠছে। এ চাঁদার অর্ধেকের কম থাকে  সিন্ডিকেটের স্থানীয়দের পকেটে। অবশিষ্ট টাকা যায় তাদের শেল্টারদাতা বিএনপির ওই শীর্ষ নেতার কাছে। ফলে বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। নদের বলুমহাল থেকে ইজারার নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি স্থানীয়দের।

যুবদল নেতা আল মুনতাসির বিল্লাহ নাহিদ বলেন, পুরাতন  বহ্মপুত্র নদের ১২টি বালুঘাট থেকে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা ফ্যাসিস আওয়ামী লীগ নেতার যোগসাজশে ইজারার নামে চাঁদাবাজি করছে। চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে বালু দস্যুরা আমাদের উপর হামলা চালায়।হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে। আমাদের ৪টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বাহার হাজীর মেয়াদহীন লাইসেন্সে ইজারার নামে চাঁদাবাজি করছে। চাঁদাবাজির ৩৫ লাখ টাকা সোহেলসহ তার সঙ্গীয়দের পকেটে ঢুকেছে। ইজারার নামে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান স্থানীয়  প্রশাসনের প্রতি।

এদিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি নাজমুল হাসান সোহেল সাংবাদিকদের বলেন, আমার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সঠিক না। ইজারা (চাঁদার) টাকা উত্তোলনের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। তারা ৩৫ লাখ টাকার কথা বলা হলেও স্বেচ্ছাসেবক দলের এ নেতা ২৫ লাখ টাকা বন্টনের কথা নিশ্চিত করেছেন।

মতামত দিন